দূর্গতদের ত্রাণ দিয়ে ফেরার পথে বিপদের মুখে পড়লেন যীশু সেনগুপ্ত ও তাঁর সঙ্গীরা
দি নিউজ লাটন; দূর্গতদের ত্রাণ দিয়ে ফেরার পথে সুন্দরবনে বিপদের মুখে পড়লেন অভিনেতা যীশু সেনগুপ্ত ও তাঁর সঙ্গীরা। সেই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতি থেকে যীশু সহ ৮ জনকে বাঁচালো পুলিশ। তবে এমন একটা পরিস্থিতি থেকে পুলিশের সহযোগিতায় রক্ষা পেয়ে আবেগে আপ্লুত বিখ্যাত অভিনেতা ও তাঁর সঙ্গীরা। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত সপ্তাহের শুক্রবার বারুইপুর জেলা পুলিশের মৈপীঠ কোস্টাল থানা পেরিয়ে জলপথে পাথরপ্রতিমা এলাকার গঙ্গারামপুরে ইয়াস দুর্গতদের ত্রাণসামগ্রী দিতে যান জনপ্রিয় অভিনেতা যীশু সেনগুপ্ত সহ তাঁর সঙ্গীরা।
সেখানে ত্রাণ দিয়ে মৈপীঠ হয়ে তাঁরা কলকাতা ফিরছিলেন। পাথরপ্রতিমা থানা সীমানার কে- প্লটের জিরো পয়েন্টে আচমকাই তাঁদের ভাড়া করা ভটভটি নৌকার ইঞ্জিন খারাপ হয়ে রায়। সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে যায় ভটভটি নৌকা। অগত্যা মাঝনদীর থেকে আস্তে আস্তে সরতে সরতে ওই নৌকা ম্যানগ্রোভ জঙ্গলে ঢাকা তীরের দিকে। সেখানেই নোঙর করে দাঁড়ায় নৌকা।
যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই সন্ধ্যা হয়। আর এখানে তো জলে কুমীর ডাঙায় বাঘ। ফলে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতেই শুরু হয় বিপদের আশঙ্কা। সুন্দরবনের নির্জন জায়গায় গভীর জঙ্গলের ধারে নৌকা দাঁড়িয়ে থাকায় যেকোনো সময়েই বাঘের আক্রমণের প্রবল সম্ভাবনা দেখা দেয়। অভিনেতার বিপদের খবর আসে মৈপীঠ কোস্টাল থানার আধিকারিক প্রদীপ পালের কাছে। তিনি দ্রুত থানার এস আই বলরাম মন্ডলকে টীমসহ থানার পুলিশ লঞ্চ দিয়ে নদীপথে পাঠিয়ে দেন পাথরপ্রতিমা থানার সীমানার জিরো পয়েন্টে। সন্ধ্যা ঘনিয়ে রাত নামবে।
ঘড়ির কাঁটায় আটটা বাজে। এমন সময় ঘন অন্ধকারে নদীর বুক চিরে পুলিশ লঞ্চের আগমনে আশ্বস্ত করে যীশু সহ তাঁর দলের বাকিদের। একে একে সকলেই তাঁদের নৌকা থেকে পুলিশ বোটে চলে আসেন। এরপর লঞ্চ পৌঁছে যায় মৈপীঠ থানার অন্তর্গত গঙ্গা ঘাটে। তারপর অপেক্ষারত গাড়ীতে করে যীশু এবং বাকি সকলে রওয়ানা দেন কলকাতার উদ্দেশ্যে।

Post a Comment