বাঁকুড়ায় ত্রাণ শিবিরে প্রায় ৮৫ হাজার মানুষ
দি নিউজ লায়ন; ইয়শের প্রভাবে দিনভর প্রবল ঝড় বৃষ্টিতে রীতিমত নাকাল হল বাঁকুড়ার মানুষ। বুধবার সকাল থেকেই ইয়শের আঁচ পড়তে শুরু করে বাঁকুড়া জেলায়। তারপর দিনভর কখনো মুষলধারে আবার কখনো ঝিরঝিরে বৃষ্টি হয় বাঁকুড়া জেলায়। সর্বাধিক প্রভাব লক্ষ করা যায় দক্ষিণ বাঁকুড়ার জঙ্গলমহল এলাকায়। কংসাবতির মুকুটমনিপু জলাধারের জল এদিন সকাল থেকেই ছিল উত্তাল।
শান্ত মুকুটমনিপুর জলাধারে এদিন বড় বড় ঢেউ আছড়ে পড়তে দেখা গেছে পাড়ে। এদিন সকাল থেকেই জেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে সমস্ত পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদের জন প্রতিনিধি ও বিধায়কদের দূর্গত এলাকায় তদারকি করতে দেখা গেছে। বাঁকুড়া জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে ইয়শের আশঙ্কায় জেলা জুড়ে মোট ৯৯৫ টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে।
এই ত্রাণ শিবিরে প্রায় ৮৫ হাজার মানুষকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। এদিন সিমলাপালের তপুবাইদ গ্রামের একটি ত্রাণ শিবিরে হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে সন্তোষ লোহার (৭৫) নামের এক ব্যাক্তির মৃত্যু হয়েছে। বুধবার বিকাল পর্যন্ত জেলায় ইয়শের প্রভাবে ৮২ টি কাঁচা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলির সকলের কাছেই ত্রাণ পৌঁছে গেছে বলে জানিয়েছে বাঁকুড়া জেলা প্রশাসন।

Post a Comment