Big Breking: নন্দীগ্রাম থেকে পরাজিত মুখ্যমন্ত্রী, তবে কেন এই পরাজয়
দি নিউজ লায়ন; নজরকাড়া কেন্দ্র নন্দীগ্রামে অবশেষে পরাজিত হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে প্রবল প্রতিদ্বন্ধীতার মুখে দাঁড়িয়ে শেষ পর্যন্ত ১৯৫৬ ভোটে পরাজিত হন তিনি। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হন। উল্লেখ্য, এই নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন ৫০ হাজার ভোটে হারানোর। এদিন ভোট গণনার শুরু থেকেই নন্দীগ্রামে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শুরু হয়। প্রথম থেকে শুভেন্দু অধিকারী এগিয়ে ছিলেন। তবে নন্দীগ্রামে মোট ১৭ রাউন্ড গণনার মধ্যে ১৫ তম রাউন্ড থেকে কিছুটা এগোতে শুরু করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তবে শেষ রক্ষা হলো না। ১৭ রাউন্ডের গণনায় এসে নন্দীগ্রামের ১ নম্বর ব্লকের ৯ নম্বর অঞ্চলের কালীচরণ গ্রাম পঞ্চায়েত, সোনাচুড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এবং গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে ১৯৫৬ ভোটে পরাজিত হন তিনি। ভোটের আগে নন্দীগ্রামে প্রচারের এক সভা থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষনা করেছিলেন, তিনি নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে লড়বেন। নন্দীগ্রাম তাঁর কাছে তাঁর লাকি জায়গা বলেও দাবি করেন। এদিন বিকালে ঘর থেকে বের হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ঘর থেকে বেরিয়ে কালীঘাটে তৃণমূলের অফিসে যান। মমতা বলেন, ২০২১ সালের নির্বাচন আমার কাছে চ্যালেঞ্জ ছিলো। এই জয়ের পর রাজ্যে করোনা পর্ব মিটলে ব্রিগেডে তৃণমূলের বিজয় উতসব হবে।
মমতা বলেন, আমার টার্গেট ছিলো ২২১ টি আসন। আমরা সেই টার্গেটের ধারেকাছে গিয়েছি। আমরা বড়ো শফত গ্রহণ অনুষ্ঠান করবো না। এদিন তিনি নন্দীগ্রাম্র পরাজয় নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেন। মমতা বলেন, নন্দীগ্রামের আমাকে হতাশ করেছে। গোটা রাজ্যে একরকম রায় দিলো, শুধু নন্দীগ্রামে অন্যরকম রায় দিলো। আমি এই রায়ের বিরুদ্ধে কোর্টে যাবো বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে নন্দীগ্রামের মানুষের রায়কে তিনি মাথা পেতে নিলেন বলেও জানান। আক্ষেপের সুরে বলেন, ভালোই হলো, আমাকে আর বারবার নন্দীগ্রামে ছুটে যেতে হবে না। উল্লেখ্য, পশ্চিমবাংলায় ভোটের শুরু থেকেই সকলের নজরে ছিলো নন্দীগ্রামের উপর। নন্দীগ্রাম জয় মমতার কাছে প্রেস্টিজ ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছিলো। এই নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনকে কেন্দ্র করেই ২০১১ সালে পশ্চিমবাংলায় ক্ষমতায় এসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর আজ সেখান থেকেই হারলেন মমতা।
Post a Comment