ইয়াসের প্রভাবে কক্সবাজারের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
দি নিউজ লায়ন; ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে বাংলাদেশের কক্সবাজারের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত। উপড়ে পড়েছে গাছপালা, বিধ্বস্ত হয়েছে বহু ঘরবাড়ি। লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে শহরের অন্তত তিনটি এলাকায় বেড়িবাঁধ। বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে প্রবল জোয়ারের জলে উপড়ে যাচ্ছে গাছপালা। ভাঙন ধরেছে জেটির পল্টুনে ও রাস্তাঘাটে। তবে মানুষের জানমাল রক্ষায় সব ধরণের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপে বেড়িবাঁধের ব্লকে ধ্বস নেমেছে।জেলার কুতুবদিয়া, মহেশখালী, টেকনাফ ও সেন্টমার্টিন দ্বীপের অর্ধশতাধিক গ্রামে ঢুকে পড়েছে জোয়ারের জল। কক্সবাজার শহরের অন্তত তিনটি এলাকায় বেড়িবাঁধ উপচে জল লোকালয়ে প্রবেশ করেছে। এতে জলবন্দি হয়ে পড়েছে হাজারো মানুষ। কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিণ ড্রাইভ সড়কেও আচড়ে পড়ছে জোয়ারের জল।
মহেশখালীর বাসিন্দা আল জাবের জানিয়েছেন, জোয়ারের জলে মাতারবাড়ির ইউনিয়নের ৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের বিভিন্ন অংশ ভেঙে তছনছ হয়ে গেছে। লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে জল। ইতোমধ্যে ৪০টি ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। উপড়ে গেছে গাছপালা। স্থানীয় প্রশাসনের তরফ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনকে খাদ্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, রাতে জোয়ারে জলের উচ্চতা আবারও বৃদ্ধি পেলে এবং তা লোকালয়ে ঢুকে পড়লে তাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে বলে আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।
দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ার বাসিন্দা আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, কুতুবদিয়ার উত্তর ধুরুং, আলী আকবরডেইল ও কৈয়ারবিল ইউনিয়নে অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে ২০টির বেশি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে হাজারো মানুষ।
এদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ এর ঝুঁকি থেকে কক্সবাজার মুক্ত বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারি আবহাওয়াবিদ মো. আবদুর রহমান। তিনি বলেন, কক্সবাজারে ৩ নং সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে। সাগরের জল স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ থেকে ৬ ফুট পর্যন্ত বাড়তে পারে।

Post a Comment