জোড়া ফুল তো ঘাসের দল, ঘাস যত কাটবে ততো বাড়বে, ঘাস কেটে শেষ করা যায় না, অভিষেক - The News Lion

জোড়া ফুল তো ঘাসের দল, ঘাস যত কাটবে ততো বাড়বে, ঘাস কেটে শেষ করা যায় না, অভিষেক

 


দি নিউজ লায়ন;  ভারতীয় জনতা পার্টির লোকজন ডেলি প্যাসেঞ্জারি করছে। বলছে মমতা সরকারকে উখাড় কো ফেকুঙ্গা। আরে জোড়া ফুল উখাড়নে হয় না। জোড়া ফুল তো ঘাসের দল। ঘাস যত কাটবে ততো বাড়বে। ঘাস কেটে শেষ করা যায় না। অত সোজা নয়।  বৃহস্পতিবার দুপুরে পুরুলিয়ার বাগমুন্ডির জনসভা থেকে বিজেপিকে এইভাবেই আক্রমণ করলেন সর্বভারতীয় তৃণমূলের যুব সভাপতি তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। 


এদিন তিনি পুরুলিয়ার 2 বিধানসভা এলাকায় জনসভা করেন। প্রথম জনসভা করেন বান্দোয়ান বিধানসভার বড়বাজারে এবং দ্বিতীয় সভা করেন বাগমুন্ডি বাড়েরিয়ার ময়দানে। এদিন তিনি আরও বলেন রাজ্যটা গুজরাট মধ্যপ্রদেশ নয়। যে উখাড়কে ফেকুঙ্গা।  এই পশ্চিমবঙ্গ তো ভারতবর্ষকে পথ দেখিয়েছিল স্বাধীনতা আন্দোলনে, নবজাগরণে। ভুলে গেলে চলবে না। যারা বলছে এই করবো তাই করবো। 4 দিন আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইশতেহার প্রকাশ করেছে। ডানদিকে বসেছে গুজরাটের একটা লোককে। আর বাঁদিকে বসিয়েছে মধ্যপ্রদেশের একটা লোককে। 


বসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য রাখছেন হিন্দিতে। বক্তব্য রাখলেন তিন ঘন্টা। আর বলছে সোনার বাংলা গড়বো। বাংলা বলতে পারে না,বাংলা লিখতে পারে না, বাংলা পড়তে পারে না, বাংলায় কথা বলতে পারে না, যে মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখছে পিছনে কি লেখা আছে সেটা বলতে পারেনা। নিজের নাম বাংলায় লিখতে পারেনা। সে নাকি সোনার বাংলা গড়বে।  এদিন তিনি আরও বলেন, আপনারাতো ভারতীয় জনতা পার্টির সাংসদ কে ভোট দিয়ে জিতিয়েছেন 2019 সালে। আপনারা বলুন তো এনাকে একদিনও আপনারা দেখতে পেয়েছেন জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো কে।


 সুখ-দুঃখ বিপদে-আপদে করোনাকালে আম্ফানে আপনাদের পাশে এসে কোনদিন ও ভুক্তের  হাতে খাবার তুলে দিয়েছে পরিষেবা তুলে দিয়েছে। সারা ভারতবর্ষে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর পুরুলিয়ার মানুষ বাগমুন্ডি মানুষ ভালো আছে কি খারাপ আছে জিজ্ঞাসা করার সময় নেই। উনি বলেছিলেন স্বাস্থ্য সাথী কার্ড ভাওতা আর এই জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো বাড়িতে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড করার পরেই বলছে মমতা জিন্দাবাদ। এই হচ্ছে বিজেপির আসল রূপ। দিলীপ ঘোষ বলছে দুয়ারের সরকার স্বাস্থ্য সাথী কার্ড ভাওতা আর দিলীপ ঘোষের দাদা-বৌদি দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে গিয়ে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড করে বলছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ। আপনার বিয়ের পর যখন শ্বশুরবাড়িতে যান আপনাদের দেখার মত কোন লোক থাকে না বাবা-মা ভালো আছে শরীর কি অবস্থা আছে দুবেলা খোঁজ নেওয়ার খাওয়ানোর মতো লোক থাকে না।


মমতা  সেজন্য স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর পরিষেবা গৃহকর্তীর নামে করে দিয়েছে। গৃহকর্তীর নামে যদি স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকে তাহলে তার শ্বশুরবাড়ির লোক ও স্বাস্থ্য সাথীর ও আওতায়। ও বাপের বাড়ির লোকও স্বাস্থ্যসাথী আওতায় থাকবে। কেউ বাদ যাবে না এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত একমাত্র মমতা সরকার করেছে। এদিন তিনি আরো বলেন, কাঠফাটা রোদে সভা শুনতে আসা মানে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন জানাতে আসা তো বটেই। তার সাথে তার সিদ্ধান্ত নিয়ে আসা প্রথম দফার ভোটে বিজেপির রফাদফা করব। এবং তৃতীয় বার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার প্রতিষ্ঠা করব। সব তারা সিদ্ধান্ত নিয়ে আসে যে বহিরাগত দের কাছ থেকে বাগমুন্ডি মাটি স্বীকার করবে না। পুরুলিয়ার মাটি আত্মসমর্পণ করবে না।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.