ভোটপ্রচারে বেরিয়ে জনসংযোগের জন্য চা-কেই হাতিয়ার করে তুললেন তনুশ্রী
দি নিউজ লায়ন; এবারের বঙ্গভোটেও চায়ের মাহাত্ম্য় স্পেশ্যাল! মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও নন্দীগ্রামে গিয়ে চা বানিয়েছিলেন। তাঁকে অনুসরণ করেছিলেন তৃণমূলের তারকা প্রার্থী অদিতি মুন্সী, জুন মালিয়া। আসলে বাঙ্গালিরা যেখানেই যাক চায়ে চুমুক মাস্ট! আর সেই ‘পালস’ নিরীক্ষণ কররেই এবার তনুশ্রী চক্রবর্তীও ভোটপ্রচারে বেরিয়ে জনসংযোগের জন্য সেই চা-কেই হাতিয়ার করে তুললেন। প্রচারের ফাঁকে দলীয় কর্মী-সমর্থক তথা উপস্থিত জনতাদের নিজে হাতে চা বানিয়ে খাওয়ালেন।
কিন্তু তাতেও ক্ষান্ত থাকেননি প্রতিপক্ষ শিবিরের সমালোচকরা। বলছেন, “এই তো পদ্মবনে গিয়েও সেই ‘দিদি’র দেখানো পথেই হাঁটলেন!” হাওড়ার শ্যামপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়ছেন তনুশ্রী। গত ৮ মার্চ, নারী দিবসে গেরুয়া মন্ত্রে রাজনীতির ময়দানে অভিষিক্ত হয়েই বিজেপির তরফে নির্বাচনী টিকিট পেয়েছেন। আর টিকিট পেতেই তিনি কোমর বেঁধে নেমে পড়েছিলেন রাজনীতির ময়দানে। গণদেবতার আশীর্বাদ নিতে কিংবা তাঁদের সঙ্গে সখ্যতা গড়তে কোনওরকম কসরতই বাকি রাখছেন না পদ্ম শিবিরের তারকা প্রার্থী।
ঘরের মেয়ের মতোই রোজ স্থানীয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে ভোট প্রচার করতে বেরচ্ছেন। যদিও একেবারে সাদা মাটা ভাবেই এসেছেন টলিপাড়ার এই অভিনেত্রী। এসি গাড়িতে করে নয়, একেবারে টোটোয় ঘুরে প্রচার করছেন শ্যামপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী তনুশ্রী চক্রবর্তী। প্রতিদিন এপাড়া সেপাড়ার মন্দিরে পুজো দিয়ে দিনের শুরু। তারপর চড়া রোদে ঘুরে ঘুরে প্রচার।
সেখানেই প্রচারের ফাঁকে হঠাৎই কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে টিনের চাল দেওয়া একটি চায়ের দোকানে ঢুকে পড়তে দেখা যায় তাঁকে। এরপর একেবারেই ঘরের মেয়ের মতো শাড়ির আচল কোমরে গুঁজে নেমে পড়লেন ময়দানে। ওদিকে তারকা-প্রার্থীকে চা বানাতে দেখে দোকান চত্বরে তখন ভীড় উপচে পড়ার জোগাড়। তাতে কিঞ্চিৎ বিতলিত নন তনুশ্রী। বরং চোখমুখে আনন্দ। নিজে হাতে যে শুধু চা বানিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি, আবার পরিবেশনও করলেন। তারকা প্রার্থীর এমন আচরণে নেটজনতা যেমন একদিকে মুগ্ধ, কেউ কেউ আবার সমালোচনা করতেও পিছপা হননি।

Post a Comment