গর্ভবতী মায়ের হাসপাতাল চত্বরে প্রসব,জন্ম নিল সদ্যজাত পুত্র সন্তানের
দি নিউজ লায়ন ; হাসপাতাল চত্বরে প্রসব করলেন এক গৃহবধু। জন্ম দিলেন এক পুত্র সন্তানের। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার রাত নটা নাগাদ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং মহকুমা হাসপাতাল প্রধান দরজার সামনে।হঠাৎই সদ্যজাত শিশুর চিৎকারে সম্বিৎ ফেরে হাসপাতাল চত্বরে থাকা রোগী ও রোগীর পরিবার পরিজনেদের।ঘটনার কথা জানতে পেরে হাসপাতা কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি প্রসূতি ও সদ্যজাত শিশুকে নিয়ে যায় প্রসুতি বিভাগে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে গর্ভবতী মনিরা হালদার একটি সন্তান প্রসব করেন।যার ওজন ৩ কেজি ৪০০ গ্রাম। বর্তমানে মা ও সন্তান দুজনেই সুস্থ রয়েছে।উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অশোক নগরের কালোপোতার বাসিন্দা সফিকুল মন্ডল। পেশায় ব্যবসায়ী। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার নিকারীঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েতে পাঙ্গাশখালি গ্রামে মনিরা হালদারের সাথে বিয়ে হয় বছর পাঁচেক আগে।
দম্পতির একটি বছর তিন বয়সের শিশু কন্যা রয়েছে।বর্তমানে মনিরা গর্ভবতী হলে তাঁকে তাঁর স্বামী পাঙ্গাশখালির বাপের বাড়িতে রেখে যায়।রবিবার সন্ধ্যায় প্রসব বেদনা শুরু হলে প্রসূতির বাড়ির লোকজন ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসে।
সেই সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক ,নার্সরা প্রসূতি কে দেখে কলকাতার চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে।প্রসুতি কে নিয়ে তার পরিবার পরিজনেরা হাসপাতালে প্রধান দরজার সামনে প্রসুতিকে বসিয়ে এম্বুলেন্স এর খোঁজ করতে থাকেন। সেই মুহূর্তে প্রসুতির প্রসব যন্ত্রণা শুরু সয়। পাশাপাশি হাসপাতালের প্রধান দরজার সামনেই প্রসব হয় পুত্র সন্তানের।
আর এই ঘটনা জানাজানি হতেই হাসপাতাল চত্বরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।অন্যদিকে প্রসূতির প্রথম কন্যা এবং দ্বিতীয়বার পুত্র সন্তান হওয়ায় পরিবার সহ খুশি প্রসুতির মা ছামিরণ বিবি(হালদার)।ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালের সুপার অপূর্ব লাল সরকার জানান হাসপাতালের চত্বরে এক গর্ভবতী মায়ের এক সদ্যজাত পুত্র সন্তানের প্রসব হয়ে যায়।হাসপাতাল কতৃপক্ষ জানার পর সঙ্গে সঙ্গে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।মা ও সন্তান বর্তমানে সুস্থ আছে।

Post a Comment