এক কেজি ওজনের হাতির দাঁত সহ হাতেনাতে পাকড়াও আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের কিংপিন
দি নিউজ লায়ন ; হাতির দাঁত সহ পাকড়াও আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের কিংপিন আইআরবি জওয়ান ও গ্যাংয়ের ছয় সার্কেদ। বাজেয়াপ্ত সিকিম নাম্বারের দুটি গাড়ি। সিকিমের বাসিন্দা ইন্ডিয়ান রিজার্ভ ব্যাটেলিয়নের দিল্লির রেজিমেন্টের কনস্টেবল গণেশ ছেত্রীই বন্যপ্রাণীর দেহাংশ সিকিম ও আন্তঃরাষ্ট্র পাচার চক্রের মাস্টার মাইন্ড। তার অঙ্গুলিহেলনেই চলে আন্তঃরাষ্ট্র পাচারের এই কারবার।
রবিবার গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালায় বন দপ্তরের নির্দেশে ওদলাবাড়ির একটি হোটেলের সামনে শারুগাড়া রেঞ্জের বনদপ্তরের কর্মীরা। অভিযানে নেমে একেবারে সিনেমায় কায়দায় ছদ্মবেশে এলাকায় ঘাঁটি গাড়েন রেঞ্জার সঞ্জয় দত্তের নির্দেশে বনকর্মীরা। সূত্র মোতাবেক ওই হোটেলের সামনে এসে পৌছায় আইআরবি জওয়ান সহ ছয়-সাত জনের একটি দল।
তারা নিজেদের মধ্যে ওই হাতির দাঁতকে কেন্দ্র করে দর কষাকষি করতে লাগে। ঠিক সেসময়ই বন কর্মীরা আটক করে তাদের। তাদের কাছে থাকা একটি ট্র্যাভেল ব্যাগ থেকে ১কেজি ওজনের হাতির দাঁত বাজেয়াপ্ত করে বনকর্মীরা। অন্যদিকে বনকর্মীদের আভাস পেয়েই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় ২জন। তবে চক্রের মূল পান্ডা গণেশ ছেত্রী ও তার ছয় সার্কেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের নাম গান্ডুপ লেপচা, ধন বাহাদুর,রোহিত তামাং,দেবা শেরপা,গণেশ ছেত্রী, সমসন লেপচা। ধৃতরা প্রত্যেকেই সিকিমের বাসিন্দা।
শারুগাড়া রেঞ্জের রেঞ্জার সঞ্জয় দত্ত জানান গ্যাংয়ের মাস্টার মাইন্ড গণেশ ছেত্রীর কাছ থেকে আইআরবি-এর দিল্লি রেজিমেন্টের কনস্টেবল পদের একটি সচিত্র পরিচয়পত্র মিলেছে। পাশাপাশি তার মোবাইল ফোন থেকে মিলেছে পূর্বের গন্ডার ও চিতার দেহাংশ সহ প্রাচীন বহুমূল্যবান মূর্তির বেশকিছু ছবি। যাতে সাফ জওয়ানের পরিচয়ে দীর্ঘ সময় ধরে সহজেই এই পাচারের কারবার চালাচ্ছে সে।
বিষয়টি আরআইবিয়ের আধিকারিকদের পাশাপাশি উচ্চপর্যায়ে জানানো হয়েছে। এদিনের উদ্ধার হওয়া হাতির দাঁতটির বাজার মূল্য প্রায় ১০লক্ষ টাকা।সোমবার ধৃতদের জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হয়।ধৃতদের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণ আইনে ৪৪এ৪৯এ৪৯বি৫১(১)এ ধারায় মামলায় রুজু করা হয়েছে।

Post a Comment