ট্যাব কেনার টাকা পেয়ে খুশি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ছাত্র ছাত্রীরা
দি নিউজ লায়নঃ বৃহস্পতিবার বিকেলে টিভিতে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা শোনার পর থেকেই খুশি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনি ব্লকের মৌপালের ভূঁইয়া পরিবার। প্রশান্ত ভূঁইয়ার সামান্য জমি রয়েছে।তার তিন ছেলে মেয়েদের মধ্যে মেজ ঋতু ভূঁইয়া মৌপাল দেশপ্রাণ হাইস্কুলের ছাত্রী। সে দ্বাদশ শ্রেণীর বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী। শুক্রবার তার একাউন্টে রাজ্য সরকারের পাঠানো ট্যাব কেনার ১০ হাজার টাকা ঢুকেছে।
একইরকম ভাবে খুশি হয়েছে আদিবাসী পরিবারের সুমনা সিং। বাবা দয়াল সিং ঠিকা শ্রমিক। বাড়িতে মোবাইল বলতে বাবার কাছে থাকা ছোট মোবাইল। এটা স্মার্টফোন নয়। করোনা আবহের জেরে গত মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই স্কুল কলেজে বন্ধ পঠন পাঠন। কোথাও কোথাও অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো স্কুল ছাত্র ছাত্রীদের মোবাইলের মাধ্যমে টাস্ক দিচ্ছেন কিন্তু ঐচ্ছিক সেই সুযোগ নেওয়ার সুযোগ ছিল না ঋতু , সুমনার। তাঁরা অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি কে।
তাদের মতোই তৃষা বিশ্বাস , অষ্টমী মাহাতো সহ আরো ৯২ জন পড়ুয়া ট্যাব পেয়ে খুশি।মৌপাল দেশপ্রাণ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ডঃ প্রসূন পড়িয়া জানান , শুক্রবার দ্বাদশ শ্রেণীর সব ছাত্র ছাত্রীর একাউন্টে ট্যাব কেনার টাকা ঢুকে গেছে। এতে যাঁরা অনলাইনে পড়াশোনা করতে পারত না তাদের খুব ভালো হলো। তারা সহজেই পাঠ্য বিষয় মোবাইলে দেখতে পাবে । রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আরো একটি মানবিক দিক দেখতে পেল পড়ুয়ারা। সবুজ সাথী , কন্যাশ্রীর মতো এটাও পড়ুয়াদের ভীষণভাবে উপকৃত করবে।
মেদিনীপুর টাউন স্কুলের রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ডঃ বিবেকানন্দ চক্রবর্তী জানান , তাঁর স্কুলের ১৬৬ জন দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র ট্যাব পাচ্ছে। বেশিরভাগ ছাত্রের একাউন্টে টাকা ঢুকেছে বলে জেনেছেন। তবে কতজন পড়ুয়া ট্যাব কিনেছে সেই তথ্য স্কুলের কাছে নেই। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তিনি জানান গত কয়েক মাস ধরে স্কুলের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা নিয়ম করে অনলাইনে পাঠদান করছেন।

Post a Comment