শুভেন্দু অধিকারীকে গড়বেতার ছোট আঙারিয়া আসতে দেবে না এলাকার বাসিন্দারা!
দি নিউজ লায়ন ; ২০০১ সালের ৪ ঠা জানুয়ারি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা থানার ছোট আঙারিয়া গ্রামে নৃশংস গণহত্যার ঘটনা ঘটে। যার ফলে রাজ্য রাজনীতি উত্তাল হয়ে ওঠে। সিপিএমের হার্মাদ বাহিনি তৃণমূল কর্মী বক্তার মন্ডলের বাড়ি চারিদিক দিয়ে ঘিরে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়। যার ফলে কয়েকজন আগুনে পুড়ে মারা যায়।সে সময় বাড়িতে না থাকায় বক্তার মণ্ডল প্রাণে বেঁচে যায়।
যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেইসময় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল গোটা রাজ্য।ওই ঘটনার সিবিআই তদন্ত করলে ও কোন অভিযুক্তদের এখনো শাস্তি হয় নি।তারপর কেটে গিয়েছে বেশ কয়েকটা বছর। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বে থাকা শুভেন্দু অধিকারী প্রায় প্রতি বছর গড়বেতার ছোট আঙারিয়া গ্রামে গিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতেন। কিন্তু গত ১৯ শে ডিসেম্বর মেদিনীপুর কলেজ মাঠে শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন। তাই ক্ষোভে ফুঁসছে গড়বেতার ছোট আঙারিয়া গ্রাম।
শুক্রাবার ঘটানাস্থলে দাঁড়িয়ে ওই গ্রামের বাসিন্দা ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বক্তার মণ্ডল বলেন শুভেন্দু অধিকারী মানুষের সাথে প্রতারণা করেছে। শহীদ পরিবারের সাথে প্রতারণা করেছে। তাই আগামী ৪ ঠা জানুয়ারি ছোট আঙারিয়া গণহত্যা দিবসের দিন তারা ওই গ্রামে শুভেন্দু অধিকারী কে আসতে দেবে না। তিনি বলেন যারা গান্ধীজিকে হত্যা করেছে তাদের সাথে হাত মিলিয়েছে শুভেন্দু অধিকারী।
তাই ছোট আঙারিয়া গণহত্যা দিবসের দিন শুভেন্দু অধিকারী কে কোনমতেই আসতে দেওয়া হবে না ।তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ছোট আঙারিয়া গ্রামে গণহত্যা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানএর আয়োজন করা হবে। অনুষ্ঠানে এলাকার বিধায়ক আশীষ চক্রবর্ত্তী, শালবনির বিধায়ক শ্রীকান্ত মাহাতো, তৃণমূলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি ,তৃণমূলের নেতা নির্মল ঘোষ, সেবাব্রত ঘোষ, রাজ্যের মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র সহ একাধিক তৃনমূলের নেতৃত্ব উপস্থিত থাকবেন।
তারই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বক্তার মণ্ডল বলেন ওইদিন কয়েক হাজার মানুষ ছোট আঙারিয়া গ্রামে আসবেন শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন এবং ওই দিন ছোট আঙারিয়া গ্রামে শহীদ বেদীর সামনে শহীদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে দলের নেতারা বক্তব্য রাখবেন। তাই ছোট আঙারিয়া গ্রামজুড়ে শহীদ দিবসের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান।

Post a Comment