শুভেন্দু দল ছাড়বেন নাকি তৃণমূলে আত্মসমর্পণ করবেন সেটা ওনার বিষয় ; সায়ন্তন বসু
দি নিউজ লায়ন ; শুভেন্দু দল ছাড়বেন নাকি তৃণমূলে আত্মসমর্পণ করবেন সেটা ওনার বিষয়। হাওড়ায় বললেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন। দুয়ারে সরকার কর্মসূচিকে রাজ্য সরকারের মরণকালে হরিনাম বলেও কটাক্ষ করলেন তিনি।
"শুভেন্দু অধিকারী দল ছাড়বেন নাকি ওনার নিজের দলের কাছে আত্মসমর্পণ করবেন সেটা ওনার বিষয়। উনি কি করবেন সেটা কারও কাছে স্পষ্ট নয়। আমাদের দলে ব্যক্তির কোনও প্রভাব নেই। আমরা জনগণকে নিয়ে আশাবাদী। কোনও ব্যক্তি আসুন, না আসুন বা চলে যান, আমরা ব্যক্তি নিয়ে ভাবিনা। জনগণকে নিয়ে ভাবি।" বুধবার সকালে মধ্য হাওড়ায় 'চায়ে পে চর্চা' কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু।
শুভেন্দু-পর্বে জট কেটে ওনার ঘরে ফেরা প্রসঙ্গে সায়ন্তন বসু বলেন, "ঘরে উনি ফিরবেন নাকি উনি ঘরের বাইরে যাবেন সেটা বোঝার সময় এখনও আসেনি। গতকাল টিভিতে যা দেখেছি তাতে তৃণমূলের এক প্রবীণ সাংসদ যা বলার বলেছেন। শুভেন্দু অধিকারী বা বাকি কারও মন্তব্য চোখে পড়েনি। সুতরাং এই নিয়ে আমাদের পক্ষে বলা সম্ভব নয়। শুধু বলব, রাজ্যের এই হিটলার অত্যাচারী সরকারের বিরুদ্ধে জনগণ যে যুদ্ধের ডাক দিয়েছেন সেই যুদ্ধে যারা সামিল হতে চান তাদের জন্যে আমাদের দরজা খোলা থাকবে।"
আগামী ৭ ডিসেম্বর মমতার মেদিনীপুরের সভামঞ্চে শুভেন্দুকে দেখা যেতে পারে বলে যে গুঞ্জন শুরু হয়েছে সে বিষয়ে সায়ন্তনবাবুকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, "শুভেন্দুবাবু ৭ তারিখ কি করবেন সেটা তখন দেখা যাবে। উনি এখনও পর্যন্ত শুধু মন্ত্রীত্ব ছেড়েছেন। দল ছাড়েননি। জনগণ তৃণমূল থেকে সরে গেছেন। শুভেন্দুবাবু দলে থাকবেন না দল ছাড়বেন সেটা ওনার বিষয়।"
রাজ্য সরকারের 'দুয়ারে সরকার' কর্মসূচি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সায়ন্তন বসু বলেন, "মানুষের ঘরেই যদি যেতে হয় তাহলে সেটা গত ১০ বছরে সরকার করেনি কেন। এখন মরণকালে হরিনাম করতে হচ্ছে। এখন যখন সরকারের শ্মশানে যাবার সময় হয়ে গেছে তখন অন্নপ্রাশনের নেমন্তন্ন করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করিনা।"
তিনি আরও বলেন, "তৃণমূলের নেতারা ঘর বানিয়ে দেবেন বলে চাকরি করে দেবেন বলে টাকা নিয়েছেন। এখন সেইসব নেতাদের দুয়ারে দেখলে মানুষ এদেরকে গাছে বেঁধে রেখে দেবে। ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে রেখে দেবে।" সায়ন্তনবাবু বলেন,"সাড়ে ৫০০ কোটি টাকা পিকে'কে দেওয়া হয়েছে। সেটা বাংলার জনগণের টাকা। সেটা ফেরত দিতে হবে।"

Post a Comment