ছট পুজোর আগে কুলো-ডালির চাহিদা নেই - The News Lion

ছট পুজোর আগে কুলো-ডালির চাহিদা নেই




শুক্রবার ছট পুজো। আর ছট পুজোর প্রধান উপকরণ বেতের তৈরি ডালি এবং কুলো। কিন্তু করোনা সংক্রমনের জেরে এবারে সেই বেতের তৈরি ডালি এবং কুলো বিক্রিতে ভাটা। ক্রেতা-বিক্রেতা সকলেই সমস্যায় পড়েছেন। বিক্রেতাদের বক্তব্য , করোনা সংক্রমণের কারণে এবারে বেতের আমদানি কমে গিয়েছে। ডালি এবং কুলোর দাম বাড়াতে হয়েছে। যার ফলে বেশি দামে ক্রেতারা এই উপকরণ কিনতে চাইছেন না। আবার অনেকে ক্রেতাদের বক্তব্য, গতবছরের থেকে এবছর গালি ও কুলোর দাম বাড়ায় সমস্যায় পড়তে হয়েছে। যারা বড় পরিবারের জন্য একসঙ্গে অনেকটি করে বেতের তৈরি ডালি এবং কুলো কিনতেন ।


তারা সেই উপকরণকে কেনা কমিয়ে দিয়েছেন । ফলে এবারের পূজোতে করোনা সংক্রমণ থাবা বসিয়েছে। উল্লেখ্য , পুরাতন মালদা শহরের নবাবগঞ্জহাট এলাকায় মূলত বেতের তৈরি ডালি ও  কুলোর পাইকারেরা আসেন বিক্রির জন্য। কিন্তু এবারে করোনা সংক্রমনের কারণে বাইরের রাজ্য মূলত ঝাড়খন্ড এবং বিহার থেকে পাইকাররা আসছেন না বলে বিক্রেতাদের দাবি । পুরাতন মালদা শহরের শুধু নবাবগঞ্জ  নয় , বিভিন্ন হাটে ও বাজারে বিক্রি হচ্ছে ছট পুজো ব্যবহৃত বেতের তৈরি ডালি এবং কুলো। কিন্তু সেই সামগ্রী বিক্রি করার ক্ষেত্রে এখন ক্রেতা-বিক্রেতেরা চরম সমস্যায় পড়েছেন।


নবাবগঞ্জ এলাকার এক ডালি ও কুলো বিক্রেতা দিলীপ অধিকারী বলেন, গতবছর দাম ছিল ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। কিন্তু এবারে কুলোর দাম ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা। কিন্তু এবারের বিগত বছরের থেকেও কম দামে ডালি ও কুলো বিক্রি করলেও ক্রেতাদের ভিড় নেই।  অনেক ক্রেতারা নিজেদের পরিবারের সদস্য পিছু একটি করে ডালি এবং কুলো কিনতেন । কিন্তু এবারে সেই ভাবে বিক্রি হচ্ছে না। ফলে এবছর চরম সমস্যায় পড়তে হয়েছে বিক্রেতাদের।


 বুধবার নবাবগঞ্জ হাটে ডালি এবং কুলো কিনতে আসা ক্রেতা শ্যামলী ঠাকুর , নয়না সিং-দের বক্তব্য, এবছর করোনা সংক্রমনের মধ্যে নদীপাড়ে বেশি ভিড় করা যাবে না। তাই বেশি করে ডালি এবং কুলো কেনা হচ্ছে না। একটিতেই গোটা পরিবারের জন্য পূজোর সামগ্রী রেখেই নদীতে পালিত হবে ছট পূজা উৎসব। অনেক ক্ষেত্রে আবার ভালো মাপের ডালি ও কুলো পাওয়া যাচ্ছে না । কোথাও কোথাও আবার চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে এই সব সামগ্রী। ফলে যতটা সম্ভব ছট পুজোর জন্য এই সামগ্রী কিনে পূজার জোগাড় করতে হচ্ছে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.