ঝাড়গ্রামের দুর্গাপূজা মণ্ডপ গুলির সামনে মানুষের ভিড় নেই
দি নিউজ লায়ন ; শুক্রবার মহা সপ্তমীর দিন অরণ্য সুন্দরী ঝাড়গ্রাম জেলা শহরের পুজো মণ্ডপগুলি ছিল একেবারে শুনশান, মানুষজনের দেখা পাওয়া যায়নি। হাতেগোনা কয়েকজন মানুষ পুজো মণ্ডপের সামনে এসে পুজো কমিটি গুলির নির্দেশ মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে তারা প্রতিমা দর্শন করেছেন দূর থেকে। যেখানে পূজা দেখার জন্য প্রতিবছর পঞ্চমীর দিন থেকে মানুষের ভিড় উপচে পড়ত অরণ্য সুন্দরী ঝাড়গ্রাম এর বিভিন্ন পূজা মন্ডপে।
কিন্তু করোনা পরিস্থিতির জন্য কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলতে হচ্ছে পুজো কমিটি গুলিকে। তাই পুজো মণ্ডপের সামনে নো এন্ট্রি লেখা আছে। তাই সামনে কেউ যেতে পারছে না। এবং বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে মানুষ পুজো দেখতে অনেকেই আসছে না। যার ফলে একেবারে শুনশান অরণ্য সুন্দরী ঝাড়গ্রাম শহর। তাই মন খারাপ হলেও করোনা পরিস্থিতির জন্য সকলেই ঘরে বসেই আনন্দ উপভোগ করছেন ।কিন্তু সপ্তমীর দিন এমন চেহারা এর আগে কোনদিন দেখেনি ঝাড় গ্রাম শহরের বাসিন্দারা।
রাস্তাঘাটে লোকজন নেই পূজা মণ্ডপ গুলি ফাঁকা শুধু লেখা রয়েছে কনটেইনমেন্ট জোন ও নো এন্ট্রি।আগামী দিন গুলি মানুষ রাস্তায় নামে কিনা তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছে অরণ্য সুন্দরী ঝাড় গ্রাম শহরের বাসিন্দারা। রাস্তাঘাটে লোকজন না আসায় ব্যবসা-বাণিজ্য একেবারে লাটে উঠেছে। দোকানগুলিতে কোন বিক্রি হচ্ছে না। তাই প্রচুর ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।
যারা প্রতিবছর এই পুজোর দিকে তাকিয়ে থাকতেন। শুক্রবার ঝাড়গ্রাম শহরের ঘোড়াধরা এলাকায় সার্বজনীন দূর্গা পূজা মণ্ডপের সামনে গিয়ে দেখা গেল হাতেগোনা কয়েকজন মাত্র সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়িয়ে দূর থেকে প্রতিমা দেখেছেন। প্রত্যেকের মুখে ছিল মাস্ক এবং পূজা কমিটির পক্ষ থেকে প্রত্যেক কে সেনিটাইজার দেওয়া হয় এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রতিমা দর্শন করার নির্দেশ দেওয়া হয় ।সেই সঙ্গে কারো যদি মাস্ক না থাকে তাকে মাস্ক তুলে দিচ্ছেন পূজা কমিটির সদস্যরা।
এই ঘোড়াধরা সার্বজনীন দুর্গাপূজা দেখতে গ্রামীন এলাকা থেকে প্রচুর মানুষ ভিড় জমাতো,ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হতোপুজা কমিটিকে। কিন্তু সবই করোনার আতঙ্ক গ্রাস করেছে তাই এবার কোন ভিড় নেই। তাই নিয়ম মেনে কেবলমাত্র পুজো হচ্ছে। সেই সঙ্গে মায়ের কাছে সকলের একটাই প্রার্থনা দেশ ও বাংলাকে করোনামুক্ত করো।

Post a Comment